ঢাকা, ||

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে চরমোনাই পীরের মহাসমাবেশ


প্রয়োজনে মিয়ানমার দখল করা হবে—ফয়জুল করীম
Uncategorized

প্রকাশিত: ৫:৩৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭

সোহেল আহমেদ, (সিইপিজেড থানা) চট্টগ্রাম থেকে ॥ রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে পঞ্চাশ হাজার বছর ধরে বসবাস করে আসছে। তারা আজও সে দেশের নাগরীত্ব পায়নি। সুচির সরকার বলছে রোহিঙ্গারা সে দেশের নাগরীক নয়। তাই নির্বিচারে তারা রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। নারী পুরুষ সহ শিশুদের গনহত্যা করছে। যদি তাই হয় তবে আরাকান মিয়ানমারের নয়,এটা বাংলাদেশের অংশ। সরকারের নির্দেশনা পেলে মুসলিম জনতা প্রয়োজনে নাফ নদী পারি দিয়ে মিয়ানমার দখল করবে।

শুক্রবার বন্দর নগরী চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত মহাসমাবেশেরর প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দলোন বাংলাদেশ এর নায়েবে আমীর মুফতি মো: ফয়জুল করীম এ কথা বলেন। মহানগর মুজাহিদ কমিটির উদ্যোগে সিইপিজেড চত্বরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ পুর্ব মহাসমাবেশে জুমার নামাজের পরপরই মুসুল্লিরা বিভিন্ন স্লোগান নিয়ে সমাবেশ স্থলে জড়ো হয়। এক পর্যায়ে চত্বর ছাড়িয়ে কিলোমিটার জুরে তা জনমুদ্রে পরিনত হয়।
নগর সভাপতির সভাপতিত্বে অনুস্ঠিত সমাবেশে এ সময় ফয়জুল করীম সুচিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাংলার মানুষ বাঘের গোস্টি, সিংহের ন্যায় মাথা উচু করে থাকে। মুসলিমরা ঘরে বসে মার খাবে তা হতে দেয়া হবে না। অবিলম্বে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধের আহবান জানান।

তিনি বলেন,আমরা জানতে পেরেছি অনেক চাকমা মা বোন ভাইরা চাকুরি ছেরে চলে গেছেন। আপনারা যাবেন না। আমরা মুসলিম। আপনাদের সাথে আমাদের কোনো বিবাদ নেই। আমরা মিয়ানমার সরকার কতৃক নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পক্ষে দাড়িয়েছি। সুচি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি। বাংলাদেশে বসবাস কারী চাকমা,মারমা,বৌদ্ধ সহ ভিন্ন ধর্মের যারা রয়েছেন,আপনারা আতংকিত হবেন না। ইসলাম নির্যাতন, অবিচার, হত্যাকে সমর্থন করে না।

বক্তব্যে মুফতি ফয়জুল করিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃস্টি আকর্ষন করে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধে বিশ্ব নেতাদের প্রতি কুটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বআরোপ করেন। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি রেলক্রসিং পদক্ষিন করে কাঠগড় গিয়ে শেষ হয়।