ঢাকা, ||

সুন্দরী শিক্ষিকা রাবেয়ার দুই স্বামীতে বিব্রত হিজলাবাসী



এক্সক্লুসিভ নিউজ

প্রকাশিত: ৫:৫৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৭

রিপোর্ট ॥ পেশায় শিক্ষিকা হলেও তার অনৈতিক কর্মকান্ডে বিব্রত হয়ে পড়েছে হিজলাবাসী। একাদারে দুই স্বামী। অন্যদিকে বেশকিছু যুবকের সঙ্গে গোপন অভিসারও চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে,বিত্তসালী যুবকদের সাথে সম্পর্ক রেখে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ওই স্কুল শিক্ষিকা। এমনকি গর্ভের অবৈধ সন্তান নষ্ট করার খবরও পাওয়া গেছে। যার দরুন ধুলোয় মিশতে বসছে স্কুলের সুনাম।

বরিশাল জেলার হিজলা থানাধীন ধূলখোলা ইউনিয়নের ৫৫ নং বাতুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রাবেয়া খানম রাবুর দ্বিতীয় স্বামী রেজাউল হক বাবলু জানান প্রথম স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়েছে বলে মিথ্যা অভিনয় করে তার সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসেন। বিয়ের বেশ কিছুদিন পর আবার সেই প্রথম স্বামী আলমগীর হোসনের সঙ্গে ঘর করছেন। এই দুই স্বামী তরুনী শিক্ষিকার হাত থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় সমাজ পতিদের দ্বারস্থ হলেও ডোন্ট কেয়ার রাবেয়ার কাছে।

 

কাউকেই মুক্তি দিচ্ছেন না তিনি। তাদের কাছে দাবি করা হচ্ছে মোটা অংকের টাকা।দ্বিতীয় স্বামী বাবলু জানান,তার স্ত্রী রাবেয়া হারুন,রাসেল,বিকাশ ও মাসুম বিল্লাহ নামে বেশ কয়েকজন যুবকের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক আছে। ২০১৩ সালে ভোলায় পিটিআই করতে গিয়ে সেখানকার মেরি স্টোপে অবৈধ সন্তানের গর্ভপাত করে।একই ভাবে ২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারী বরিশাল মেরিস্টপ ক্লিনিকে পেটের সন্তান নষ্ট করে। এ ঘটনার পর থেকেই রাবেয়া খানমের বিভিন্ন যুবকদের সাথে থাকা অনৈতিক সম্পর্কের খবর ফাঁস হয়ে যায়।খবরটি হিজলা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। প্রথম স্বামী আলমগীর হোসেন জানান,তার ঘরে রাবেয়ার দুই সন্তান রয়েছে । তার পরেও রাবেয়া এসব খারাপ ঘটনার জন্ম দিয়েছে। কিন্তু দুই সন্তানের ভবিষ্যতের স্বার্থে রাবেয়াকে ডিভোর্স দিতে পারছেন না বলে জানান। অপরদিকে রাবেয়ার দ্বিতীয় স্বামী বাবলু সংবাদ কর্মীদের জানান, ক্ষমতাধর যুবকদের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক থাকায় মুখ খুলতে পারছেন না। হুমকি ধামকি দেওয়ানো হচ্ছে তাকে। প্রানভয়ে এলাকায়ও যেতে পারছেন না তিনি। এ বিষয়ে বাতুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান,রাবেয়ার বিষয়ে এলাকায় যে সমালোচনা হচ্ছে তাতে স্কুলের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। আমাদের হাতে ক্ষমতা থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতাম। একইভাবে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান,লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় সহকারি শিক্ষিকা রাবেয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছি না। এ ব্যাপারে রাবেয়া খানমের কাছ থেকে জানতে একাদিকবার ফোন দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।