ঢাকা, ||

বরিশালে ফের জ্যান্ত পুতুলের নগ্ন নিত্য ॥ শেল্টার দিচ্ছে সাদেক শিষ্যরা !!!



ক্রাইম নিউজ

প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০১৭

বরিশাল পিপলস ডট কম : বরিশালে যাত্রা পালার নামে ফের শুরু হয়েছে জ্যান্ত পুতুলের নগ্ন নিত্য। রাতভর চলে তরুনীদের কাপড় ছাড়া ড্যান্স। এমনকি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানিয়ে রাখা হয়েছে সেখানে।

এ কারনে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দলের নেতা সাদিক আব্দুল্লার শিশ্যরা নেতৃত্ব দিচ্ছে এসবের। সরোজমিনে গিয়েও একই দৃশ্য মিলছে।

বরিশালে কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই অশ্লীল মুক্ত যাত্রা গানের নামে রাতভর নৃত্য চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
নৃত্য পরিচালনা কমিটি বলছে, বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এয়ারপোর্ট থানা এলাকার ছয় মাইলে যাত্রা পালার আয়োজন করা হয়েছে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাকিম বলছেন এটা বাংলার ঐতিহ্য বলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানিয়ে রাখা হয়েছে। তবে স্থানীয় আলীগ নেতারা বলছে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানিয়ে রেখে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়নি বরং অবমাননা করা হয়েছে। কারন ওখানে কোন যাত্রা চলেনা, চলে অশ্লীল নৃত্য। রাতভর নৃত্য চলার কারনে স্থানীয়রা রাতে ঘুমাতে পারেনা।

তবে আগের দিনে জেলা প্রশাসকের এলার্ট ফান্ডে টাকা জমা দিয়েই যাত্রার অনুমতি নেয়া হতো। কিন্তু মেট্টোপলিটন এলাকা হওয়ার পরেই এলার্ট ফান্ডে আর টাকা দিতে হয় না। স্থানীয়দের প্রশ্ন তাহলে কোথায় যায় এলার্ট ফান্ডের টাকা। সরকারী রাজস্ব না আসলেও তাতে মাথা ব্যথা নেই কারোর। বরিশাল মেট্টোপলিটন এর এয়ারপোর্ট থানাধীন ছয়মাইল নামক স্থানে যাত্রার নামে রাতভর নৃত্য পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই প্যান্ডেলের সামনেই লেখা রয়েছে অশ্লীনমুক্ত স্বচ্ছ যাত্রাপালা। সেই প্যান্ডেলের মধ্যে রাতভর চলছে নৃত্য। তবে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বরিশালের চরমোনাইতে বিশ্বের ৩য় মুসলীম সমাবেশ চলাকালে এই যাত্রা পালা চললে মুসল্লীদের সম্মানের হানিঘটে বলে বলে জানান তারা। এ নিয়ে স্থানীয় মুসল্লীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে অদৃশ্য কারনেই নিরব রয়েছে প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে যাত্রা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাকিম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পুলিশ কমিশনার পারমিশন দিয়েছে। কি পারমিন দিয়েছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ভাই এখানে কোন অশ্লীন নৃত্য চলে না। এই যে নৃত্য চলে মেয়েরাতো পাতলা কাপড় পরে নাচে তাতে তো অশ্লীন হয় না। তিনি আরও জানান, যাত্রার সাথে কালাম মোল্লাও জড়িত রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) এ আর মুকুল জানান, বিষয়টি আমি জানি তবে ওখানে কি হয় সেটা আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট) ফরহাদ হোসেন সরদার’র সাথে তিনি জানান, আমি কিছুই জানি না। তবে বিষয়টা আমি তদন্ত করে দেখছি।

এব্যাপারে মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিনের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এমন কোন অনুমতি দেয়া হয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এরকম কোন অনুমতি দেয়া হয়নি।