ঢাকা, ||

শিক্ষক সুজনের রাতের আশা পুরন হলোনা ॥ বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে গনধোলাই



লিড নিউজ

প্রকাশিত: ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০১৯

বরিশাল নগরীর রুস্তুম আলী তালুকদার শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান সুজন বন্ধুর সুন্দরী স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে স্থানীয় জনতার গনধোলাইয়ের শিকার হয়েছে। পরক্ষণে জনরোষ থেকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার হয়ে গন পিটুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়া ওই শিক্ষক শের-ই-বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অন্যদিকে শিক্ষক বন্ধুর দ্বারা এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনার শিকার হয়ে বাড়ী ছেড়ে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে ভুক্তভোগি মিজান ও তার স্ত্রী মোর্শেদা। বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকার সাধারন মানুষের মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইছে। বুধবার(২৪এপ্রিল-২০১৯) দিবাগত রাতে নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া নতুন হাট লাগোয়া সরদার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনা সংগঠিত স্থান সরদার বাড়ির বাসিন্দা মজিবর রহমান জানান, শিক্ষক সুজন তাদের বাড়ির বাসিন্দা মিজানের স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্ত কাটানোর সময় বাড়ীর ও এলাকার লোকজন উলঙ্গ অবস্থায় ধরে ফেলে। অল্প সময়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত জনরোষ তৈরী হয়। ভুক্তভোগি মিজানের ভাইয়ের স্ত্রী আনন্দী বেগম বলেন,শিক্ষক সুজন, মিজানের পঞ্চম শ্রেনিতে পড়–য়া ছেলেকে প্রাইভেট পড়াতো। সেখান থেকে মিজানের সুন্দরী স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার ঝমেলা হলে শিক্ষক সুজনকে প্রাইভেট পড়ানো থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার মিজানের অনুপস্থিত নিশ্চিত হয়ে রাতে ঘরের পিছনের বাগানের রাস্তা থেকে মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে খারাপ কাজে লিপ্ত হয়। বার বার বাড়ীর মান সম্মান নষ্ট হয় বিধায় তাদের বাড়ী ও এলাকার লোকজন শিক্ষক সুজনকে ধরে গনধোলাই দিয়েছে বলে জানিয়েছে মিজানের ছোট ভাইয়ের বউ আনন্দী বেগম। একই এলাকার সোহেল,রহমান,সাগর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রতিবেদকের কাছে তথ্য দিয়েছেন। অনুঘটক মোর্শেদা বেগম বলেন ,ঘরের পিছনের দরজা খোলা ছিলো সেখান থেকে শিক্ষক সুজন এসেছে। এ কথা বলার পরে নিশ্চুপ থাকায় মোর্শেদা বেগমের কাছ থেকে আর কিছু জানা যায়নি। খোজ নিয়ে জানা গেছে ঘটনার পরের দিন সকালে স¦ামীর কাছে না বলে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছেন। তার পিতা এহছাক আলীর বাড়ীতেও তাকে খোজ করে পাওয়া যায়নি। শিক্ষক সুজন জানিয়েছেন,তার বন্ধু মিজানের ছেলেকে প্রাইমারির গাইড বই দিতে গিয়েছি। কিছু মানুষ শত্রুতা করে আমার গায়ে হাত তুলেছে। এ ব্যাপারে মোর্শেদা বেগমের স্বামী মিজানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্ত্রী অসামাজিক কাজ করায় মিজান এলাকা ছেড়ে চলে গেছে তা আমরাও জানিনা। এয়ারপোর্ট থানার ওসি জানান,এ বিষয়ে রুস্তুম আলী তালুকদার শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ তালুকদার জানান,যেহেতু শিক্ষক সুজন অন্যায় করেছে সেহেতু তাকে আর স্কুলে শিক্ষক হিসেবে রাখা যাবে না। কারন আমি অন্যায়কারীকে আমার প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় দিবো না। নিউজ সূত্র:প্রথম সকাল