ঢাকা, ||

পিরোজপুরে ছাত্রলীগের সভাপতি পদ পেতে ছাত্রদলের সেই বায়েজিদ’র অপ-তৎপরতা

বরিশাল পিপলস ডট কম : পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদের জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে ছাত্রদলের সেই বায়েজিদ। এমনকি সভাপতি হবার চেস্টায় ৫০ লক্ষ টাকার মিশন নিয়ে ঢাকায় নেতাদের পিছনে ঘুরছে বলে জানা গেছে। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়া সম্পর্কে টাকা হইলে কেন্দ্রিয় নেতা ‘সোহাগ জাকির’ কেনা যায় বলে বায়েজিদের মন্তব্যটি; টক অব দা পিরোজপুর টাউনে পরিনত হয়। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে সেখানকার ছাত্রলীগের মধ্যে। এর বাইরেও বায়েজিদের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারির হোতা ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বায়েজিদ’র বাবা বিএনপি নেতা ছিলেন। আওয়ামীলীগকর্মী হত্যা মামলায় তিনি বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। বাবার হাত ধরে বায়েজিদও ছাত্রদলের রাজনীতিতে অংশ নেয়। পরে খোলস বদলে ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর ছাত্রলীগে যোগ দেয়। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বিনা প্রতিদ্দন্দীতায় সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ভিপিও নির্বাচিত হয় সে। ভিপি নির্বাচিত হবার পর নিজের ক্ষমতার প্রভাবে পিরোজপুর শহরের শহরের নামকরা এক হিন্দু ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীর মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে। হিন্দু ঐ মেয়েটি বায়েজিদকে ভালোবেসে তার সর্বস্ব তুলে দেয়। জানা যায় রাজনীতিতে বায়েজিদের উত্থান এবং ঠিকাদারি ব্যবসা করার জন্য সেই মেয়ে বায়েজিদকে এ পর্যন্ত ১০ লাখের বেশী টাকা ও ২প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাদিক নির্ভরশীল সূত্র জানান, বায়েজিদ নিজে অধুমপায়ী হিসেবে সকলের সামনে ইমেজ ধরে রাখলেও আড়ালে মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে আসছে।স¤প্রতি বায়েজিদের মাদক ব্যবসায়ের সহযোগী এবং তার ঘনিষ্ঠ জাকির হোসেন লাবু,মিল্লাত,মামুন সহ জেলা ছাত্রলীগের একাধিক নেতা বারবার ইয়াবা সহ অসংখ্যবার আটক হলে বায়েজিদ তাদের জামিনের জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে। এছাড়া বায়েজিদের আপন চাচা ফারুক কে বহুবার ইয়াবাসহ সহ আটক করেছে পুলিশ। এসব বিষয়ে জানতে বায়েজিতকে একাদিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।